কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: বুধবার, ১৫ জুলাই, ২০২৬ এ ০৯:৪৫ AM
“তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ” শীর্ষক অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধদপ্তর (DoICT)-এর ফ্রিল্যান্সার নিবন্ধন কার্যক্রম পরিদর্শন করলেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী
তরুণ প্রজন্মের উদ্ভাবনী চিন্তা, সৃজনশীলতা এবং উদ্যোক্তা সম্ভাবনাকে জাতীয় উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত “তারুণ্য, স্টার্টআপ ও সম্ভাবনার বাংলাদেশ”শীর্ষক বিশেষ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, এমপি।
অনুষ্ঠানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আওতাধীন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর (DoICT) কর্তৃক ফ্রিল্যান্সারদের নিবন্ধন ও ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড প্রদান কার্যক্রম বিষয়ক স্টল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি ফ্রিল্যান্সার নিবন্ধন ও আইডি কার্ড প্রদানের নিমিত্ত প্রস্তুতকৃত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম, আবেদন ও যাচাই প্রক্রিয়া এবং এ খাতে অধিদপ্তরের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে জানতে আগ্রহ প্রকাশ করেন।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) জনাব মোহাম্মদ সাইফুল হাসান (যুগ্মসচিব) মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে উক্ত কার্যক্রমের বিস্তারিত এবং সার্বিক অগ্রগতি সম্পর্কে অবহিত করেন। তিনি জানান, বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে আইসিটি খাতে কর্মসংস্থান সম্প্রসারণ এবং ফ্রিল্যান্সিংকে প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেওয়ার যে অঙ্গীকার করা হয়েছে, ফ্রিল্যান্সার নিবন্ধন ও আইডি কার্ড প্রদান কার্যক্রম তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ বাস্তবায়ন উদ্যোগ।
তিনি আরও জানান, সরকারের আগামী পাঁচ বছরে ২ লক্ষ ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড প্রদান করার লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। একই সঙ্গে ফ্রিল্যান্সারদের জন্য একটি যুগোপযোগী ফ্রিল্যান্সার নীতিমালা প্রণয়নের কাজ চলমান রয়েছে। নীতিমালাটি বাস্তবায়িত হলে সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ, কর-সুবিধা (Tax Exemption), দ্রুত রেমিট্যান্স দেশে আনা এবং অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা নিশ্চিত করার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
উল্লেখ্য, ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ড প্রদানের ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মটি তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তরের নিজস্ব জনবল ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতায় উন্নয়ন করা হয়েছে, ফলে সরকারের অতিরিক্ত কোনো অর্থ ব্যয় হয়নি। বর্তমানে প্ল্যাটফর্মটিতে ৩৫ হাজারের বেশি ব্যবহারকারী নিবন্ধন করেছেন, ১৫ হাজার ফ্রিল্যান্সার আইডি কার্ডের জন্য আবেদন করেছেন এবং ইতোমধ্যে ০৯ হাজার ফ্রিল্যান্সারকে আইডি কার্ড প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া, অধিদপ্তরের উদ্যোগে নতুন ফ্রিল্যান্সার তৈরির কার্যক্রমও চলমান রয়েছে, যা কর্মসংস্থান বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন এবং দেশের রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর বিশ্বাস করে, ফ্রিল্যান্সারদের প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আধুনিক সেবার সমন্বয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সিং ইকোসিস্টেম আরও শক্তিশালী হবে। একই সঙ্গে বর্তমান সরকারের কর্মসংস্থানমুখী উন্নয়ন দর্শন বাস্তবায়নে দেশের তরুণ ফ্রিল্যান্সাররা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।